?>
আসলে একটি বাড়ির সৌন্দর্য শুধু সাজসজ্জায় নয়। পরিবারের মানুষের ভালোবাসা, যত্ন আর আন্তরিকতাই একটি ঘরকে সত্যিকারের বাড়ি বানায়। ছোট ফ্ল্যাটেও যদি হাসি আর স্বস্তি থাকে, তাহলে সেটিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে সুন্দর ঠিকানা।
ছোট ফ্ল্যাট সাজানোর প্রথম শর্ত হলো অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমিয়ে রাখা। যত কম অগোছালো জিনিস থাকবে, ঘর তত বড় আর খোলামেলা মনে হবে। অনেক দিন ব্যবহার করা হয় না এমন আসবাব, পোশাক বা সাজসজ্জার জিনিস সরিয়ে ফেলতে পারেন বা দান করে দিতে পারেন।
ছোট জায়গার জন্য বহুমুখী আসবাব বেশ কাজে দেয়। যেমন স্টোরেজ থাকা খাট, ভাঁজ করা যায় এমন ডাইনিং টেবিল, সোফা-কাম-বেড বা দেয়ালে লাগানো বুকশেলফ। এগুলো জায়গা বাঁচায় এবং ঘর গুছিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
ঘর উজ্জ্বল রাখতে আলোর দিকেও নজর দিন। সম্ভব হলে দিনের আলো ঘরে ঢুকতে দিন। ভারী পর্দার বদলে হালকা রঙের পর্দা ব্যবহার করলে ঘর আরও খোলামেলা ও উজ্জ্বল দেখায়। রাতে নরম আলোয় ল্যাম্প বা ওয়াল লাইট ব্যবহার করলে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।
দেয়ালের রঙও গুরুত্বপূর্ণ। সাদা, অফ-হোয়াইট, হালকা ধূসর বা প্যাস্টেল রঙের মতো হালকা শেড ব্যবহার করুন। দেয়ালে হালকা রঙ ব্যবহার করলে ছোট ঘরকে তুলনামূলক বড় মনে হয়। আর একটি বড় আয়না লাগালে আলো প্রতিফলিত হয়ে ঘর আরও প্রশস্ত দেখায়।
ঘরকে নিজের মতো করে সাজাতে ব্যক্তিগত স্মৃতির কিছু ছোঁয়া রাখুন। পরিবারের ছবি, ভ্রমণের স্মারক, প্রিয় কোনও ছবি বা সন্তানের আঁকা ছবি দেয়ালে সাজিয়ে রাখতে পারেন। এতে ফ্ল্যাটটি শুধু থাকার জায়গা নয়, আপনার জীবনের গল্পও তুলে ধরবে।
ঘরের ভেতরে কিছু সবুজ গাছও রাখতে পারেন। ছোট টবের মানিপ্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট বা পিস লিলির মতো গাছ ঘরের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি সতেজ পরিবেশ তৈরি করে।
রান্নাঘর ও বাথরুমে জায়গা বাঁচাতে স্মার্ট স্টোরেজ ব্যবহার করুন। দেয়ালে ঝুলানো র্যাক, ঝুড়ি, হুক বা ক্যাবিনেট অর্গানাইজার ব্যবহার করলে ছোট জায়গাও অনেক বেশি গুছিয়ে রাখা যায়।
]]>ফেসবুক জানিয়েছে, নতুন এই ব্যাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে বুঝতে পারবেন যে, কোনও অ্যাকাউন্ট একটি বাস্তব ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত। এর জন্য কোনও সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না।
বর্তমানে প্রতিদিন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ যোগাযোগ, কেনাবেচা ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এর মধ্যে রয়েছে মার্কেটপ্লেসে পণ্য কেনাবেচা, ডেটিংয়ের মাধ্যমে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় এবং গ্রুপে আলোচনায় অংশ নেওয়া।
ফেসবুকের মতে, এআই প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এখন আগের তুলনায় সহজেই তৈরি করা যাচ্ছে কৃত্রিম ছবি, প্রোফাইল ও বার্তা। ফলে কোনও অ্যাকাউন্টের অপর পাশে সত্যিকারের মানুষ আছেন কি না, তা শনাক্ত করার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে।
কীভাবে কাজ করবে ফেসবুক ভেরিফায়েড
ফেসবুক ভেরিফায়েডের জন্য ব্যবহারকারীকে একটি সহজ সেলফি-ভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এতে একটি ছোট ভিডিও সেলফি রেকর্ড করতে হবে। এরপর ফেসবুক সেই ভিডিওর সঙ্গে ব্যবহারকারীর বর্তমান প্রোফাইল ছবি মিলিয়ে দেখবে।
যাচাই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের এবং সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। তবে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়ার জন্য অ্যাকাউন্টকে ফেসবুকের নির্ধারিত বিশ্বাসযোগ্যতা ও নিরাপত্তার নিয়ম পূরণ করতে হবে।
কারা পাবেন এই সুবিধা
ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যবহার করতে পারবেন ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী যোগ্য ব্যবহারকারীরা। পাশাপাশি তাদের অ্যাকাউন্টকে ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে।
বিশেষ করে প্রতারণা, জালিয়াতি ও বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে থাকা নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে। কোনও অ্যাকাউন্টে ভুয়া বা অবিশ্বস্ত আচরণের প্রমাণ থাকলে তা ভেরিফিকেশনের জন্য অযোগ্য হতে পারে।
তবে বর্তমানে এই সুবিধা ফেসবুক পেজ বা প্রফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের জন্য চালু করা হয়নি।
ফেসবুক জানিয়েছে, ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে এই সুবিধা চালু করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
কোথায় দেখা যাবে ভেরিফায়েড ব্যাজ
ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে ব্যবহারকারীর প্রোফাইলে ভেরিফায়েড ব্যাজ দেখা যাবে। শুরুতে এই ব্যাজ পাওয়া যাবে:
পরবর্তী সময়ে ফিড পোস্টেও এই ব্যাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
একবার যাচাই সম্পন্ন হলে ব্যবহারকারীর সঙ্গে ব্যাজটি ফেসবুকের বিভিন্ন জায়গায় থাকবে। ফলে কেউ মার্কেটপ্লেসে কোনও পণ্য দেখার সময়, ডেটিং প্রোফাইল পর্যালোচনা করার সময় কাজ করবে। কোনও পণ্যের বিষয়ে যোগাযোগ করা, নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়া বা অনলাইন পরিচয় দেখার সময় বুঝতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি যাচাই করা হয়েছে।
ভেরিফায়েড ব্যাজের অর্থ কী
ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজের অর্থ হলো, সংশ্লিষ্ট প্রোফাইলটি একজন বাস্তব ব্যক্তির সঙ্গে যুক্ত এবং ওই ব্যক্তি সেলফি যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
এটি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দ্রুত সংকেত হিসেবে কাজ করবে। কোনও পণ্যের বিষয়ে যোগাযোগ করা, নতুন কারও সঙ্গে পরিচিত হওয়া বা অনলাইন আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে এই ব্যাজ দেখে ব্যবহারকারীরা ধারণা নিতে পারবেন যে অপর প্রান্তে একজন সত্যিকারের ব্যক্তি রয়েছেন।
ফেসবুক স্পষ্ট করেছে, ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়ার অর্থ এই নয় যে ওই ব্যক্তিকে ফেসবুক সমর্থন করছে বা তার সব তথ্য ও কার্যক্রমের নিশ্চয়তা দিচ্ছে।
ভেরিফায়েড ব্যবহারকারীদেরও মেটার সব নীতিমালা মেনে চলতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এবং কমার্স পলিসি।
ফেসবুকের মতে, এআইয়ের কারণে অনলাইনে কৃত্রিম পরিচয় তৈরি করা সহজ হয়ে উঠছে। তাই প্রকৃত মানুষকে চেনার জন্য একটি নির্ভরযোগ্য সংকেত প্রয়োজন।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো ফেসবুকের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতাগুলো যেন প্রকৃত মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকে এবং ব্যবহারকারীরা আরও আস্থার সঙ্গে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করতে পারেন।
]]>সম্প্রতি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তটিনীর প্রথম লুক প্রকাশ করেছে। এরপর থেকেই নাটকটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
‘ফিরে আসার গল্প’ ধারাবাহিকে তটিনীর পাশাপাশি অভিনয় করবেন খায়রুল বাসার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমাইয়া শিমু, ফাইজুল ইয়ামিন, মনিরা মিঠু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, দীপা খন্দকার, এজাজুল ইসলাম ও মুকিত জাকারিয়াসহ আরও অনেকে।
এ নাটকের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিক নাটকে ফিরছেন অভিনেত্রী সুমাইয়া শিমুও।
নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ জানান, পারিবারিক গল্পকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হচ্ছে নতুন এই ধারাবাহিক। আগামী মাসে এর শুটিং শুরু হবে। পরে নাটকটির সম্প্রচারসূচি জানানো হবে।
এর আগে রাজের ‘তোমাদের গল্প’, ‘তোমাদের গল্প ২’ এবং ‘সম্পর্কের গল্প’ নাটকে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তটিনী। সম্প্রতি তিনি নির্মাতার নতুন নাটক ‘পথহারা’-এর শুটিংও শেষ করেছেন।
অন্যদিকে, তটিনীকে সর্বশেষ দেখা গেছে জাকারিয়া সৌখিন পরিচালিত ‘কাজল চোখের মেয়ে’ নাটকে। ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে তার জুটি দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। ইউটিউবে প্রকাশের মাত্র আট দিনেই নাটকটি ১৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ অর্জন করেছে।
এদিকে আজ প্রকাশ পাচ্ছে তটিনীর নতুন নাটক ‘অমর প্রেম’। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন পার্থ শেখ।
সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও আপাতত নাটকেই মনোযোগ দিতে চান তটিনী। নিজের ভাষায়, আরও প্রস্তুতি নিয়েই বড় পর্দায় অভিষেক করতে চান তিনি।
]]>